বেক্সিমকো লিমিটেডের গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনার ট্রাস্টি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) চতুর্থ বছরের দ্বিতীয় অর্ধবছরে (২৩ জুন-২২ ডিসেম্বর) ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ রিটার্ন ঘোষণা করেছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ ডিসেম্বর। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ গতকাল তথ্য জানা গেছে।
এর আগে বন্ডটির ট্রাস্টি তৃতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর, দ্বিতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর এবং প্রথম বছরের দুই অর্ধবছরে ঘোষিত মুনাফা বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেক্সিমকোর গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনার রিটার্নের হার তৃতীয় বছরের দ্বিতীয়ার্ধের তুলনায় চতুর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সামান্য বেড়েছে। সুকুকটির ট্রাস্টি আইসিবি তৃতীয় বছরের (২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ২২ জুন ২০২৪) বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ হারে রিটার্নের সুপারিশ করে।
সুকুকটির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকার ওপরে রিটার্ন নির্ধারণ করা হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি সুকুকটির রিটার্ন ছয় মাস অন্তর দেয় হয়। এক্ষেত্রে রিটার্ন নিধারণ করা হয় ৯ শতাংশ ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে মুনাফা মার্জিন যোগ করে। ২০২২ সালে বেক্সিমকো লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঘোষিত লভ্যাংশ ও ভিত্তিমূল্যের ব্যবধানের ১০ শতাংশ মার্জিন হিসাবে নির্ধারণ করা হয়।
যদি লভ্যাংশের হার ভিত্তিমূল্যের সমান বা কম হয় তাহলে ভিত্তিমূল্যের হিসাবে রিটার্ন দেয়া হয়। আর লভ্যাংশ ৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৭৯তম কমিশন সভায় বেক্সিমকো লিমিটেডের সুকুকটি অনুমোদন করা হয়। ২০২২ সালের এপ্রিলে বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩ হাজার কোটি টাকার সুকুক ইস্যুর পরিকল্পনায় অনুমোদন দেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। সংস্থাটি জানায়, বেক্সিমকো গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনা শরিয়াহভিত্তিক বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বেক্সিমকো লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি তিস্তা সোলার লিমিটেড ও করতোয়া সোলার লিমিটেডের নির্মাণকাজে ব্যয় করা হবে। এছাড়া বেক্সিমকোর বস্ত্র খাতের ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। বেক্সিমকো গ্রিন-সুকুক ট্রাস্ট নামে স্পেশাল পারপাস ভেহিকলের (এসপিভি) মাধ্যমে এ সুকুক ইস্যু করা হয়।